নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের প্রস্তাবিত নকশা (লেআউট) ও পরিচালনার রূপরেখা প্রকাশ করেছে এপিএম টার্মিনালস। একই সঙ্গে চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকেই ৫৫০ মিলিয়ন (৫৫ কোটি) ডলারের এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরুর পরিকল্পনা পুনর্ব্যক্ত করেছে আন্তর্জাতিক এই টার্মিনাল পরিচালনা প্রতিষ্ঠানটি।
নির্মাণকাজ শেষ হলে এটিই হবে শতভাগ বিদেশি বিনিয়োগে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম কনটেইনার টার্মিনাল।
বছরে ৮ লাখ টিইইউস (টুয়েন্টি ফুট ইকুইভ্যালেন্ট) কনটেইনার পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে টার্মিনালটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যমান হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ২৩ শতাংশ বাড়বে। এতে বন্দরের দীর্ঘদিনের জাহাজজট কমার পাশাপাশি সার্বিক কার্যক্রমে গতি আসবে এবং ব্যবসায়ের লজিস্টিকস খরচ অনেকটাই কমে আসবে আশা বন্দর ব্যবহারকারীদের। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে প্রণীত এই নকশা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা দেশের সমুদ্রবন্দরভিত্তিক লজিস্টিকস অবকাঠামো প্রসারে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
বর্তমানে গভীরতার সীমাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় মেইনলাইন কনটেইনার জাহাজ সরাসরি ভিড়তে পারে না। ফলে রপ্তানি বা আমদানির সিংহভাগ পণ্যই ছোট ফিডার জাহাজে করে কলম্বো, সিঙ্গাপুর বা পোর্ট ক্লাংয়ের মতো আঞ্চলিক হাবগুলোতে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে মূল গন্তব্যে যায়। এর ফলে প্রতি চালানে অতিরিক্ত ৭ থেকে ১৪ দিন সময় অপচয় হয়।
এপিএম টার্মিনাল সূত্র জানিয়েছে, ছোট ফিডার জাহাজের ওপর এই অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে একই পণ্য একাধিকবার ওঠানো-নামানোর প্রয়োজন পড়ে।