সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১

উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

  |   সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | প্রিন্ট  

উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর তাসলিমা বেগমের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য যুগ্ন সচিব শাহনওয়াজ দিলরুবা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইডিয়াল টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আবদুস সামাদ এবং প্রগতি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনসালটেন্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার বণিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মাদ তারেকউজ্জমান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহনওয়াজ দিলরুবা খান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষী মানুষের গৌরবোজ্জ্বল দিন। শহীদ দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্যাদা ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকতসহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালির আত্ম-অন্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে।
সভপতির বক্তব্যে প্রফেসর তাসলিমা বেগম সকল ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সম্পর্কে আলোচনাকালে তিনি বলেন, ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে। ওইদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে বরকত, জব্বার, সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসেন।


Posted ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ajkerograbani.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

Archive Calendar

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১